Search

একটি ক্রিকেট জুটির কাহিনী ও রেকর্ডস

তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের সেই বিখ্যাত ম্যাচের পর তাদের সাথে বিমান পথে সাক্ষাতকার

একটি ক্রিকেট জুটির কাহিনী ও রেকর্ডস

তামিম

অবিশ্বাস্য এক উদ্বোধনী জুটি শুধু খাদের কিনারা থেকে ফিরিয়ে খুলনা টেস্টকে ড্র-ই করেনি, ভেঙে দিয়েছে ৫৫ বছরের পুরোনো রেকর্ডও। কাল খুলনা থেকে ঢাকা ফেরার পথে যশোর বিমানবন্দরে
তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস বললেন সে গল্প।
সাংবাদিক: তামিমই প্রথম বলুন, ২৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিং করতে নামার সময় কী ভাবছিলেন আপনারা?
তামিম: আমাদের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস ছিল, দিনটা যদি ১ বা ২ উইকেটেও শেষ করতে পারি, তাহলে একটা ভালো সুযোগ থাকবে টেস্টটা ড্র করার। অনেক সময় ধরে ফিল্ডিং করেছি বলে দুজনই খুব ক্লান্ত ছিলাম, আর ও তো কিপিং করে আরও বেশি। সত্যি কথা বলি, নামার সময় অমন অ্যাটাকিং খেলার চিন্তা ছিল না। আর আগে থেকে চিন্তা করে গিয়ে অ্যাটাকিং খেলাও যায় না। কারণ ওই সময়ে বোলিং কী রকম হবে, উইকেট কেমন আচরণ করবে, এটা তো আগে থেকে জানা যায় না। তবে উইকেটে গিয়ে কয়েকটা বল খেলার পরই নিজেকে খুব আত্মবিশ্বাসী লেগেছে, আর আমিও অ্যাগ্রেসিভ মুডে ছিলাম। যখন রান আসা শুরু করল…
সাংবাদিক: কিন্তু প্রথম বলটাতেই তো খুব ক্লোজ এলবিডব্লুর আবেদন হয়েছিল। ওরা রেফারেলও নিল। ওই মুহূর্তটার কথা যদি মনে করতে বলি…
তামিম: আমি কনফিডেন্ট ছিলাম যে, ওটা আউট না। ওরা যখন রেফারেল নিল, ইমরুলও এসে বলল, ওটা আম্পায়ারস্ কল হয়ে যাবে। তবে প্রথম বলই যদি অমন প্যাডে লাগে, যে কেউই একটু নার্ভাস হবে। আমিও একটু নার্ভাস ছিলাম। খেয়াল করেছেন কি না, লাঞ্চের আগে শেষ বলটাই আমি কিন্তু সামনে এগিয়ে মারতে গিয়েছিলাম। ঠিকমতো লাগেনি বলে এক রান হয়েছিল। কয়েকটি বল খেলার পরই আমার মনে হয়েছিল, হয়তো আজ আমি অ্যাটাকিং খেলতে পারব। আর ইমরুলের ভালো দিক হলো, ও নিজের গেমপ্ল্যান থেকে বের হয় না। ও যখনই বড় রান করে, এভাবেই ছয় মারে, আবার আস্তে ধীরে এক-এক নিয়ে খেলে, চার মারে। একটা পর্যায়ে এসে যখন আমাদের মনে হয়েছে, নতুন বলে বিপদের সময়টা আমরা পার করেছি, স্পিনারদেরও কয়েক ওভার খেলে ফেলেছি, তখন আমরা কথা বলা শুরু করলাম, খেলতে থাকি, খেলতে থাকি, খেলতে থাকি, কিপ ব্যাটিং, কিপ ব্যাটিং, কিপ ব্যাটিং…
সাংবাদিক: ইমরুল আপনি যখন সিঁড়ি দিয়ে নামছিলেন, তামিমকে কি কিছু বলেছিলেন? আচ্ছা, ক্রিকেটারদের তো অনেক সংস্কার থাকে, আপনাদের মধ্যে কি কেউ আগে যাবে, কেউ পরে যাবে এমন কিছু আছে?
ইমরুল: হ্যাঁ, সাধারণত ও সব সময় আগে যায়, আমি পরে যাই।
সাংবাদিক: তামিম আপনার গেমপ্ল্যানের প্রশংসা করলেন। তা সেই গেমপ্ল্যান কী ছিল?
ইমরুল: আমি যেভাবে খেলে রান করি, সেভাবেই খেলার চেষ্টা করব। প্রথমে উইকেটে গিয়ে সেট হব। শুরুর দিকে বাইরের বল খেলবই না। আমি এর আগেও দেখেছি, স্বভাবের বাইরে খেলতে গেলে আমি পারি না। আগে আমি সেট হতে চাই, তার পর শট খেলি। ঠিক করে গিয়েছিলাম, আগে ২০টার মতো বল খেলব, তার পর অন্য কিছু ভাবব। এটাই গেমপ্ল্যান ছিল, আর বলগুলোও হয়তো ও রকমই পেয়েছি।
সাংবাদিক: তামিম, লাঞ্চের আগে ৪ ওভারে ৬ রান। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই জুনায়েদকে চার মারলেন, ওয়াহাব রিয়াজের পরের ওভারে পর পর দুই বলে চার। ততক্ষণে কি আপনি ঠিক করে ফেলেছেন, ২০১০ সালে যে তামিম যেভাবে খেলত, আজ সেভাবেই খেলব?
তামিম: আমি একটা কথা বলি, এই টেস্টে আমি যেভাবে ব্যাটিং করেছি, যদি বলি সব সময়ই এভাবে ব্যাটিং করব, এটা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রবল আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। এখানে পারার বড় একটা কারণ ছিল, ওয়ানডে সিরিজটা আমার ভালো গেছে। আর শুরুতেই দুই-তিনটা বাউন্ডারি পেয়ে গেলে আমি অ্যাটাকিং খেলি। এই ম্যাচে এটাই হয়েছে। চতুর্থ-পঞ্চম দিনের উইকেট যেমন হয়, তেমন হয়তো হয়নি। তবে যদি লক্ষ করেন, মাঝখানে এমন কয়েকটা বলও হয়েছিল, যেগুলোয় আমরা আউট হতেও পারতাম। আমরা অ্যাটাকিং মুডে ছিলাম বলেই হইনি। ডিফেন্সিভ মুডে থাকলে ঠিকই আউট হয়ে যেতাম। আমার কাছে মনে হয়েছিল, দেড় শ ওভার ডিফেন্স করে আমরা টিকতে পারব না। কোনো টিমই ডিফেন্স করে এক-দেড় শ ওভার খেলতে পারবে না। আমাদের তাই ব্যালান্স রাখতে হবে। ডিফেন্স করতে হবে, আবার মারতেও হবে।

 

সাংবাদিক: ইমরুল, তামিমের যখন সেঞ্চুরি হলো, আপনি তখন ৬৮। অথচ এক সময় তামিমকে প্রায় ধরেই ফেলেছিলেন। তো কোন সময়টাতে আপনার মনে হয়েছে যে, অ্যাটাক করা দরকার? আর কেনই-বা মনে হলো?
ইমরুল: তামিম যখন মারছিল, তখন ভেবেছি ওর ব্যাটে ভালো লাগছে, আমার মারা ঠিক হবে না। আমিও যদি মারতে যাই আর উইকেট পড়ে যায়, তাহলে দলের জন্য সমস্যা হবে। তাই চিন্তা ছিল আমার যেটি শক্তির জায়গা, সেখানে বল না পাওয়া পর্যন্ত আমি মারব না। যখন অনেকগুলো বল খেলে ফেলেছি, মনে হয়েছে আমিও এখন মারতে পারব। প্রথম পঞ্চাশটা আমাকে কনফিডেন্স দিয়েছে। দলে ফিরে আসার পর পঞ্চাশ করাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পঞ্চাশটা করার পরই পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠি।

 

সাংবাদিক: আপনি কি জানেন, ইয়াসির শাহকে ছক্কা মেরে টেস্টে আপনার এক হাজার রান হয়েছে?
ইমরুল: না, এটা আমার জানা ছিল না।
তামিম: আমি জানি, হাইলাইটেস দেেখছি।

 

সাংবাদিকতামিম তো চার-ছয় মেরেই সবগুলো মাইলফলকে পৌঁছেছেন। পর পর দুটি চার মেরে সেঞ্চুরি, ছক্কা মেরে ডাবল সেঞ্চুরি…চিন্তাটা কী ছিল?
তামিম: আমি নব্বইয়ের ঘরে থাকতে একটুও পছন্দ করি না। চাই, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হয়ে যাক। আশরাফুল ভাইয়ের একটা কথাও খুব মনে পড়ে। উনি যখন খেলতেন, কেউ ৮৮ রানে ব্যাটিং করতে থাকলে বলতেন, আর দরকার তিনটি চার। ৩টি চার মারলেই এক শ। কোনো ব্যাটসম্যানই বেশি সময় নাইনটিজে থাকতে চায় না। আমিও ভেবেছি, সেঞ্চুরি-ডাবল সেঞ্চুরি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, করে ফেলাই ভালো।

 

সাংবাদিকইমরুল, তামিমের সেঞ্চুরি হওয়ার পর তাঁকে অভিনন্দন জানানোর সময় বিশেষ কিছু কি বলেছিলেন?
ইমরুল: ওর এক শর আগেই, ও যখন সত্তরের ঘরে, তখনই ওকে বলেছি, এক শটা আজ মিস করিস না। এক শ হয়ে যাওয়ার পর বলেছি, আজ তোর দিন, ইনিংসটাকে আরও বড় করতে পারবি, বড় কর।

 

সাংবাদিক: তামিম, এত লম্বা সময় একসঙ্গে ব্যাটিং করলেন, এমন নিশ্চয়ই হয়েছে কোনো বোলারকে খেলতে সমস্যা হচ্ছে বলে ইমরুলকে খেলতে বলেছেন বা ইমরুল আপনাকে…
তামিম: হয়েছে তো অবশ্যই…তবে আমি বোলারদের নাম বলতে চাই না। বুঝতেই পারছেন কেন (হাসি)। তবে একটা বলি, আমি কখনো শেষ ওভারটা খেলতে চাই না। আমার খুব নার্ভাস লাগে। আমি তাই ওকে বলছি, তুই-ই ছয়টা বল খেলিস। কিন্তু ও দ্বিতীয় বলে এক রান নিয়ে নিয়েছে।
ইমরুল: (হাসতে হাসতে) আমি কী করব, বল তো করেছে বাইরে…
তামিম: ও দ্বিতীয় বলে রান নেওয়ায় দিনের শেষ চারটি বল আমাকেই ফেস করতে হয়েছে। খুব টেনশনে ছিলাম। চার বলে আমার ডিফেন্স করা দেখলেই বুঝবেন, আমি কেন চাই যে, শেষ ওভারটা আমার পার্টনারই খেলুক।

 

সাংবাদিক: তামিম, পুরো পার্টনারশিপের সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল কোনটা?
তামিম: চতুর্থ দিনের শেষ দিকে ওয়াহাব রিয়াজের ওই স্পেলটা। দুজনের জন্যই খুব কঠিন ছিল। কারণ আমরা তো ওই ঘরোয়া ক্রিকেটে ওই ধরনের রিভার্স সুইং খেলে অভ্যস্ত না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও এর আগেও এমন কিছুর মুখোমুখি হইনি। রিভার্স সুইং ট্যাকল করাটা খুবই কঠিন। আমি ওকে বলেছিলাম, এখান থেকে বের হতে পারলে আমরা আরও ওপরের লেভেলে যেতে পারব। একজনকে শর্ট বলে অ্যাটাক করছে, আরেকজনকে এলবিডব্লুর চেষ্টা করছে, এসব থেকে যদি আপনি ফাইট করে বের হয়ে আসতে পারেন, তাহলে অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

 

সাংবাদিকইমরুল, আপনার কাছেও কি ওয়াহাব রিয়াজের ওই স্পেলটাই সবচেয়ে কঠিন সময় মনে হয়েছে?
ইমরুল: হ্যাঁ। কারণ, ওই সময় রিয়াজ শর্ট বল দিয়ে আমাকে টার্গেট করেছিল। ফিল্ডিংও সেভাবেই সাজানো হয়েছিল। তামিম আমাকে বলেছিল, তোর মুভমেন্টটা সামনের দিকে রাখ, তাহলে ও তোকে আউট করতে পারবে না। ও বলার পর ওভাবেই খেলেছি। আর কোনো সমস্যা হয়নি।

 

সাংবাদিক: তামিম, এই যে একটার পর একটা মাইলফলক হতে থাকল…পার্টনারশিপে পঞ্চাশ হলো, এক শ হলো, দেড় শ, দুই শ, তিন শ…আমাদের যদি জিজ্ঞেস করা হতো, দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো কিছু করতে হলে কেমন ওপেনিং চাই, আমরা হয়তো বলতাম এক শ হলে ভালো, ৬০-৭০-ও খারাপ নয়। কিন্তু জুটিটা চলছে তো চলছেই, ওই সময়গুলোতে যদি ফিরে যেতে বলি…
তামিম: আমার মনে হয়, এই পার্টনারশিপের পেছনে আমাদের ওয়ানডে ফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমরা ওয়ানডেতে ভালো খেলছি, বড় বড় দলকে হারাচ্ছি, নিজেদের ওপর বিশ্বাসটা আস্তে আস্তে তৈরি হচ্ছে। আর এটা থাকলে কোনো কিছুই অসম্ভব মনে হয় না। তিন বছর আগে আমি কল্পনাও করতে পারতাম না যে, তিন শ রানের পার্টনারশিপ গড়া সম্ভব। কিন্তু এখন এক শ-দেড় শ রানের পার্টনারশিপ হলে আমরা আরও বড় চিন্তা করি। চিন্তা করি, জাস্ট ব্যাটিং করতে থাকি, ব্যাটিং করতে থাকি।

 

সাংবাদিককিন্তু তিন শ রানের চিন্তা কি করেছিলেন?
তামিম: তিন শ…না, আমি কোনো সময়ই চিন্তা করিনি। কিন্তু একটা জিনিস চিন্তা করছিলাম, আমি ওকে তা বলেওছি, ইমরুল, আমরা ব্যাটিং করতে থাকি, ওরা যদি আউট করতে পারে করুক, কিন্তু আমরা আউট হব না। এটা বলেছিলাম, ওর এক শ আর আমার এক শর পর। বলেছিলাম, আমাদের এক শ তো হয়ে গেল, এখন থেকে প্রতিটি রান টিমের জন্য।
ইমরুল: না, তিন শ আমিও ভাবিনি (হাসি)।

 

সাংবাদিক: এই প্রশ্নটা দুজনকেই। রেকর্ডের কথা কখন জানলেন আর জানার পর অনুভূতিটা কেমন ছিল?
তামিম: চতুর্থ দিন শেষে ড্রেসিংরুমে ফেরার পর রিচার্ড (বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ রিচার্ড হ্যালসল) বলছিল, রেকর্ড করতে আর মাত্র ১ রান লাগবে। পরের দিন তা করার পর ড্রেসিংরুমের দিকে তাকিয়ে একটু অবাকই হলাম, কাউকে তো দেখছি না! আউট হয়ে আসার পর জিজ্ঞেস করলাম, রেকর্ড কি হয়েছে? কে যেন বলল, হয় নাই। আবার একজন বলল, হয়েছে। আসলে প্রথম ইনিংস ও দ্বিতীয় ইনিংস মিলেই সংশয়টা হয়েছে।

 

সাংবাদিক: তামিম, সব মিলিয়ে ওপেনিংয়ের রেকর্ডটা তো আপনার জানা থাকার কথা। ওটা বাংলাদেশের বিপক্ষেই। ২০০৮ সালে চট্টগ্রামে গ্রায়েম স্মিথ ও নিল ম্যাকেঞ্জির ৪১৫ রান…
তামিম: হ্যাঁ, হ্যাঁ, মনে পড়েছে। আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ। এক দিনেই ওরা চার শ করে ফেলেছিল। আমরা ব্যাটিংয়ে নেমে এক দিনে দুবার অলআউট হয়ে যাচ্ছিলাম! ওই ম্যাচটা মনে না করাই ভালো।
ইমরুল: আমি ওই টেস্টে খেলিনি (হাসি)। রেকর্ডের কথা আমিও রিচার্ডের কাছ থেকে জেনেছিলাম। পরদিন ব্যাটিং করার সময় তামিমকে বোধ হয় একবার বলেওছি, আমরা বোধ হয় ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভেঙেছি। অনুভূতির কথা বললে, কয়েক বছর ধরেই একটা অতৃপ্তি কাজ করত মনে। যখনই কাউকে অভিষেকে সেঞ্চুরি করতে দেখতাম বা হ্যাটট্রিক, আমার মনে হতো আমি দেশের জন্য বড় কিছু করতে পারলাম না। সব সময়ই এমন একটা কিছু করতে চাইতাম যেন আমার কথা সবাই মনে রাখে। এই রেকর্ডটায় সেই অতৃপ্তি একটু হলেও গেছে।

 

সাংবাদিক: শেষ প্রশ্ন—ইমরুল বলুন, তামিমের সঙ্গে ব্যাটিং করার সবচেয়ে ভালো দিক কী? তামিমও ইমরুল সম্পর্কে বলবেন।
ইমরুল: ওর সঙ্গে আমার বোঝাপড়াটা খুব ভালো। মাঠের বাইরে আমরা সব সময় ইয়ার্কি-ফাজলামি করি। তামিম ওর মতো খেললে আমার নিজের গেমপ্ল্যান অনুযায়ী খেলাটা সহজ হয়ে যায়। সবচেয়ে ভালো লাগে, ও যখন আক্রমণের জবাব আক্রমণ দিয়ে দেয়। নন-স্ট্রাইকিংয়ে দাঁড়িয়ে ওর ব্যাটিং দেখার মজাই আলাদা।
তামিম: আমার সবচেয়ে ভালো লাগে ওর শান্ত ভাবটা। রান করুক বা না-করুক, ও খুব শান্ত থাকে। তাড়াহুড়ো করে না। আপনি যখন দেখবেন, আপনার পার্টনার খুব শান্তভাবে আরামে খেলছে, সেটা আপনাকে খুব সাহায্য করবে।

 

তামিম–ইমরুলের যুগলবন্দী
রান  ৩১২
বল  ৪৫৪
মিনিট ৩৫১
চার ৩১
ছয় ৭

সৌজন্যে — প্রথম আলো

comments