Search

চাকুরী পাওয়ার যোগ্যতা – দেখে নিন আপনি কতটুকো যোগ্য

চাকুরী পাওয়ার যোগ্যতা সবটুকো আপনার মধ্যে বিদ্যমান ? কিসের অভাব রয়েছে ?

চাকুরী পাওয়ার যোগ্যতা

চাকুরী পাওয়ার যোগ্যতা

ঢাকা ম্যাগাজিন : চাকরী পাওয়ার যোগ্যতা আছে নাকি নেই ?অনেকেই আছেন যারা একাধিক মৌখিক পরীক্ষা ফেস করেছেন কিন্তু আজও চাকরী হলোনা। তাহলে কি নাই আপনার মাঝে যেটা তারা চায় । অনেকেই জানতে চায় কি কারনে বেকারত্বের এই অসীম সাগর পারি দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। আপনার থেকে চাকরী দাতাগন কি যোগ্যতা আশা করেন।  আজ সেরকম কিছুই নিয়ে আমরা আলোচনা করব।

 

প্রায় সকল দুর্নীতিমুক্ত পরীক্ষা ভিত্তিক চাকরীগুলোর ক্ষেত্রে ভাইভা বোর্ড যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করেন তা প্রায় একই। উপযুক্ত ব্যক্তিকে বেছে নিতে তারা এই বিষয়গুলোই লক্ষ্য করেন, এগুলোর উপরই জোর দেন। এই বিশেষ প্রকারের যোগ্যাতা যাদের মধ্যে বিদ্যমান থাকে ফলাফলে তাদের রোল নাম্বারই খুজে পাওয়া যায়।

 

আপনার যোগ্যতা হলো দুই প্রকার । যেমন ১) বাহ্যিক ও ২) অভ্যন্তরীন।

বাহ্যিক: আপনি কেমন কম্পিউটার চালান, লেখা কেমন সুন্দর, কথা বলা কেমন, কয়টি ভাষায় কথা বলতে পারেন। আপনি দেখতে কেমন, আপনার পোশাক পড়ার ধরন কেমন ইত্যাদি। এটি খু্বই সহজেই চোখে পড়ে।

 

অভ্যন্তরীন:  আপনার কাজের কৌশল, সময় জ্ঞান, মানুষের সাথে আপনার মেশার ধরন ইত্যাদি হলো আপনার অভ্যন্তরীন যোগ্যতা। এটি বুজতে হলে বিভিন্ন আঙ্গিকে প্রশ্ন করে তবেই বুঝা যায়। বাহ্যিকের চেয়ে এর গুরুত্ব অনেক বেশি।

এই দুটো যার মধ্যে বিদ্যমান তাকে বেশি দিন চাকরীর বাজারে দৌড়াতে হয়না। আপনি যদি দুপ্রকারের যোগ্যতাধারী ব্যক্তি হন তাহলে সহজেই চাকরীর দেখা পাবেন । চলুন এবার দেখি সেকরম কিছু যোগ্যতা যেটি চাকরী পাইতে সাহায্য করে।

চাকুরী পাওয়ার যোগ্যতা

চাকুরী

১) নেতৃত্বের গুনাবলী: ধরুন আপনি বিসিএস ভাইভা পরীক্ষা দিতে বসেছেন। প্রথম প্রছন্দ পুলিশ। তাহলে অবশ্যই আপনার মধ্যে নেতৃত্বের গুন থাকতে হবে। এটি না থাকলে ফোর্সকে নিয়ন্ত্রন করবেন কি করে। যেকোন চাকুরীতেই এটি লক্ষ্য করে থাকে।

২) ইতিবাচক মনোভাব: আপনার কাজের ক্ষেত্রে নানান প্রকার পেশাগত চাপ, চ্যালেন্জ ইত্যাদি আসতে পারে তাহলে এসকল পরিবেশেও আপনি হাসিমুখে বাড়তি চাপ নিয়ে আপনি কতটা কাজ করতে পারবেন এটি ভাইভা বোর্ড কৌশলে জেনে নেন।

৩) সুসম্পর্ক স্থাপন: অফিসের সকল স্তরের ব্যক্তিদের সাথে আপনি কতটা মানিয়ে নিয়ে চলতে পারছেন সেটি আপনাকে দেখতে হবে। সবার সাথে সুসম্পর্ক রেখে আপনাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আপনার মক্কেল, বস, জুনিয়র ইত্যাদির সাথে আপনার ব্যবহার আপনাকে এগিয়ে দিতে সাহায্য করে।

৪) প্রযুক্তি জ্ঞান: বর্তমান যুগে প্রযুক্তি জ্ঞান ছারা কোন ব্যক্তি জড় পদার্থের ন্যায় ধরা হয়। তাই আপনাকে এই সেক্টরে ভাল দক্ষতা থাকতে হবে।

৫) দলগত কাজের দক্ষতা: বর্তমানে প্রায় অফিসেই একটি কাজ অনেক টেবিল ঘুরে সম্পন্ন হয় । তাই আপনার টিম ওয়ার্ক সম্পর্কে জানতে হবে।

৬) বিশেষ গুনাবলী: প্রত্যেক ব্যক্তিরই কিছু বিশেষ গুন থাকে। এটি মানুষকে তার সহযোগিদের থেকে একধাপ এগিয়ে দেয়। আপনার সৃজনশীলতা, কুট কৌশলী, সাবলীলতা, সহজেই কোন কিছু বোঝানোর ক্ষমতা ইত্যাদি।

৭) বিশ্লেষন ক্ষমতা: আপনাকে যে অফিসের জন্য চাকরীর ভাইভার জন্য ডাকা হয়েছে সেখানে উখান পতন থাকতে পারে । পতনের সময় আপনার গৃতীত পদক্ষেপ কেমন হবে, আপার বাজেট প্রনয়ন ক্ষমতা, তথ্য সংগ্রহ করে নির্ভূল হিসাব করা, সর্বশেষ একটি ভাল সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা।

 

 

লাইক দিতে পারেন এখানে ঢাকা ম্যাগাজিন

 

comments




Leave a Reply

Your email address will not be published.