Search

বেতন বাড়ছে ১০০ ভাগ সরকারি চাকরিজীবীদের। স্যালারী কমিশন

বেতন বাড়ছে ১০০ ভাগ

বেতন বাড়ছে ১০০ ভাগ

বেতন বাড়ছে ১০০ ভাগ

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ভাতা বাড়ছে প্রায় ১০০ ভাগ। সেইসাথে আসছে স্বাস্থ্য বীমা। এজন্য বছরে ৬শ’ টাকা প্রিমিয়াম দেবে সরকার। বেতন বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ গড়ে ১০০ ভাগ হলেও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। বিদ্যমান ২০ ধাপের বেতনক্রম (গ্রেড) কমিয়ে ১০ থেকে ১৫টিতে নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। ১৯৭৩ সালে দশ ধাপে বেতন দেয়ার বিধান ছিলো। আগামী নভেম্বর মাসে কমিশন তাদের সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেবে। তবে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন শুরু হবে আগামী অর্থবছর থেকে। যার বাস্তবায়ন শেষ হবে তিন ধাপে। অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে গত বছর ১ জুলাই থেকে চালু করা মূল বেতনের শতকরা ২০ ভাগ মহার্ঘভাতা এই নতুন বেতন স্কেল চালু হলে তা মূল বেতনের সাথে সমন্বয় হয়ে যাবে।
সর্বশেষ ২০০৯ সালের দেয়া বেতন স্কেলও বাস্তবায়ন হয়েছিলো তিন ধাপে। কমিশন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আসছে ঈদুল আযহার পরে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সাবেক পে-কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং ভূতপূর্ব কমিশন সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক করবে বর্তমান বেতন ও চাকরি কমিশন।
প্রসঙ্গত, অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল গঠনে ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর সরকার সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের কমিশন গঠন করে। গত জানুয়ারি মাস থেকে রাজধানীর বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে অস্থায়ী অফিসে কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
সরকারি বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের পক্ষ থেকে যেসব দাবি জানানো হয়েছে তার অন্যতম দাবি-বেতন বৈষম্য কমিয়ে আনতে বিদ্যমান পে-স্কেলের গ্রেড সংখ্যা ২০ থেকে ১০-এ নামিয়ে আনা।
পে-স্কেলের সুপারিশ দেয়ার ক্ষেত্রে এখন ৪ সদস্যের পরিবর্তে পিতা-মাতাকে যুক্ত করে ৬ সদস্যের পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পিতা-মাতার ভরণ-পোষণে সন্তানকে দায়ী করে আইন প্রণয়ন করায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বর্তমানে যে বেতন স্কেল রয়েছে তাতে সর্বোচ্চ ধাপে (গ্রেড-১) সচিব বা সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তার সাকুল্য বেতন ৪০ হাজার টাকা। পূর্বের পে-স্কেলের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার ৭৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। আর সর্বনিম্ন ধাপে (গ্রেড-২০) ৪ হাজার ১০০ টাকা। বেতন বৃদ্ধির হার ৭০ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
এই বেতন স্কেল ঘোষণা করা হয় ২০০৯ সালের ২ ডিসেম্বর, যা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে ভূতাপেক্ষভাবে শর্তসাপেক্ষে কার্যকর করা হয়। শর্তানুযায়ী ১ জুলাই থেকে মূল বেতন এবং অন্যান্য বর্ধিত ভাতাদি পরবর্তী বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়। এর আগে ষষ্ঠ বেতন স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল ২০০৫ সালের ২৮ মে। সেখানে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ছিল ২৩ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ধাপে ২ হাজার ৪০০ টাকা। এর আগে মোট সাতটি পে-কমিশন গঠন করা হয়েছিল। এইগুলো গঠন করা হয়, ১৯৭২, ১৯৭৭, ১৯৮৫, ১৯৯১, ১৯৯৭, ২০০৫ ও ২০০৯ সালে।

 

আমাদের লাইক দিন এখানে ঢাকা ম্যাগাজিন

comments