আবেদনকারীদের কেউ কেউ অভিযোগ করেন, নির্ধারিত স্লট পেতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের চাপ তৈরি হচ্ছে। রাজধানীর বাংলামোটরের বাসিন্দা রবিন মিয়া বলেন, ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা স্লট পাওয়া। তার দাবি, ভিসা ফি তুলনামূলক কম হলেও ডাবল-এন্ট্রি স্লট পেতে অনেক ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হচ্ছে, যা অস্বাভাবিক।
ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের দীর্ঘ সারি, স্লট নিয়ে বাড়ছে অসন্তোষ
তিনি আরও বলেন, আগে অনলাইনে আবেদন করে দ্রুত কাগজপত্র জমা দেওয়া সম্ভব হলেও এখন স্লট-সংকটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। প্রয়োজনে ভিসা ফি বাড়ানো হলেও আগের মতো সহজ আবেদনপ্রক্রিয়া চালুর দাবি জানান তিনি।
ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করতে আসা মোহাম্মদ আরাফাত রহমান বলেন, এবার স্লট পেতে তেমন সমস্যা না হলেও আগের তুলনায় পুরো প্রক্রিয়াটি বেশি সময়সাপেক্ষ ও জটিল মনে হয়েছে।
আরও পড়ুন
চোখের চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে আবেদন করা গোপালগঞ্জের জয়ন্তী হালদারও দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করেন। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে একই দিন বাড়ি ফিরতে চান।
আইভ্যাকের নিরাপত্তা ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি ছিল। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
উল্লেখ্য, ভারতীয় ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার আগে অনলাইনে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ‘স্লট’ নেওয়া বাধ্যতামূলক। আবেদনকারীদের অভিযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দু স্লট পাওয়া ও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা হলেও ভিসাকেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ সেবার বিষয়ে বড় ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।