জাতীয়

এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতি ও রাজনীতির সমন্বয় জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র‍্যাপিড) এবং ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ও রপ্তানি প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে হলে তা রাজনৈতিক কাঠামো ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের গবেষণা ও সুপারিশ তখনই কার্যকর হবে, যখন সেগুলো রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছাবে।

তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য। তাই অর্থনৈতিক নীতিমালার সফল বাস্তবায়নও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আরও পড়ুন

এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি খাত আরও প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। অতিরিক্ত সময় চাওয়ার উদ্দেশ্য কোনো চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে যাওয়া নয়; বরং প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দেশের অর্থনীতিকে আরও সক্ষম ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অতিরিক্ত সময় পাবে এবং সেই সময়কে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে। এজন্য রপ্তানি খাতের বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনীতিবিদরা গবেষণার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরবেন, আর রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই সুপারিশগুলোকে বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেবে। এভাবেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে টেকসই সাফল্যে পরিণত করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে র‍্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ সঞ্চালনা করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা।

একই বিভাগের আরও খবর