জাতীয়

ট্রাইব্যুনালে প্রকৃত অপরাধীদেরই বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: আইনমন্ত্রী

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ২০তম কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

আইনমন্ত্রী জানান, ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) রুলস অব প্রসিডিউর, ২০১০’-এর বিধান অনুযায়ী পলাতক আসামিদের ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করতে ১৭টি মামলায় ৪৪ জন আইনজীবীকে ‘স্টেট ডিফেন্স লইয়ার’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়ায় অভিযুক্তদের আইনগত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গুম, হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ট্রাইব্যুনাল-২ পুনর্গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে ট্রাইব্যুনাল দুটিতে বিচার কার্যক্রম নিয়মিত চলছে।

আরও পড়ুন

বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্মত করতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। মন্ত্রীর ভাষ্য, সংশোধিত আইনের ফলে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বিচার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, সংশোধিত আইনে ভার্চুয়াল শুনানি, ডিজিটাল সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথক বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আসামিদের দ্রুত বিচার পাওয়ার অধিকার এবং আইনজীবীর সঙ্গে একান্তে সাক্ষাতের সুযোগও নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী জানান, বিচার এড়াতে পলাতক হওয়ার প্রবণতা রোধে ট্রাইব্যুনালকে অভিযুক্ত ব্যক্তির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।

৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর।

একই বিভাগের আরও খবর