তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন।
ইরানের হুমকির আশঙ্কায় কাতারের দেওয়া বিমান ব্যবহার করবেন না ট্রাম্প
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান প্রকাশিত একটি তথাকথিত ‘হত্যার তালিকায়’ তার নাম এক নম্বরে রয়েছে।
তিনি বলেন, “ইরান সুযোগ পেলে সবার আগে আমাকেই হত্যা করবে।”
আরও পড়ুন
যুদ্ধবিরতি নিয়ে অসন্তোষ
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, তেহরান বারবার যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করছে এবং এ বিষয়ে তিনি “মোটেও সন্তুষ্ট নন”।
তার দাবি, ইরান জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তিনি ইরানকে গত কয়েক দশক ধরে ‘মধ্যপ্রাচ্যের দাদাগিরি করা রাষ্ট্র’ বলেও মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি না, ইরানের সঙ্গে এই চুক্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে।”
সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক অভিযান চালাবে।
তিনি দাবি করেন, মার্কিন বাহিনী এক রাতেই ইরানের ২৮টি নৌযান ধ্বংস করেছে এবং প্রয়োজনে আরও নৌযান লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
এ ছাড়া তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, কোনো অবস্থাতেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
ট্রাম্পের ভাষায়, “ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, তবে তারা সেটি ব্যবহার করত।”
তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে দেবে না।
ট্রাম্পের দাবি, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে, যদিও তিনি আশা করেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না।
এ ছাড়া তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং দেশটির বিরুদ্ধে পুনরায় অবরোধ আরোপেরও সক্ষমতা রাখে।