শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী
নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পান ১৭৩ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পান ১৭৯ ভোট।
আরও পড়ুন
সহসভাপতি পদে ডিএ তায়েব (২৬০ ভোট) ও ইলিয়াস কোবরা (২১৬ ভোট) নির্বাচিত হয়েছেন। এ পদে নূতন পেয়েছেন ২০৪ ভোট এবং রোজিনা ১৫২ ভোট।
সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত ২৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিনা খান পেয়েছেন ১৫০ ভোট।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান ২৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। চুন্নু পেয়েছেন ১৮২ ভোট।
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পারভেজ চৌধুরী আবির ২৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী পপি পেয়েছেন ১৪৪ ভোট।
দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর ২২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ পদে রাসেল মিয়া পেয়েছেন ১৯৫ ভোট।
সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মারুফ আকিব ২২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মুশফিকুল জামিল পেয়েছেন ১১৮ ভোট এবং ইউসুফ খান পেয়েছেন ৭২ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে কামরুজ্জামান কমল ২২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। একই পদে জাদু আজাদ পেয়েছেন ১৯৭ ভোট।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আলী রাজ, কাবিলা, কায়েস আরজু, জেসমিন, নাসরিন, ফরহাদ, শিপন মিত্র, রাকা, চিকন আলী, শিরিন শিলা এবং সুশান্ত।
এবারের নির্বাচনকে ঘিরে বিএফডিসিতে কয়েক সপ্তাহ ধরেই ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় আরমান–মুক্তি পরিষদ এবং শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদের মধ্যে। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর দীর্ঘ গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন ফলাফল ঘোষণা করে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কামাল মো. কিবরিয়া লিপুর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করবে। নবনির্বাচিত কমিটির কাছে শিল্পীদের অধিকার সংরক্ষণ, কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।