শিয়া ধর্মীয় নেতা জাফর সোবহানি জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার এবং জানাজা আয়োজক কমিটির প্রধান হাসান হাসানজাদেহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কঠোর নিরাপত্তায় সম্পন্ন হলো আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা আলি খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে একই হামলায় আহত হওয়ার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। নিরাপত্তাজনিত কারণে জানাজার আনুষ্ঠানিকতাতেও তিনি অংশ নেননি বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
জানাজা উপলক্ষে রোববার ইরানজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাজধানী তেহরানে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার থেকে তেহরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শুরু হয়। বিদেশি প্রতিনিধিদের পাশাপাশি শনিবার লাখো মানুষ দ্বিতীয় দিনের শোক কর্মসূচিতে অংশ নেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার পর এটিই ইরানে সবচেয়ে বড় জনসমাগমগুলোর একটি।
সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী, সোমবার রাজধানীতে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে খামেনির কফিন কোম, ইরাক এবং শেষ পর্যন্ত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার সেখানে তাকে দাফন করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর এই বিশাল জনসমাগমকে জাতীয় সংহতি ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: এএফপি