অর্থনীতি

পেঁয়াজ-রসুন সংরক্ষণে আরও ৮ হাজার বায়ুপ্রবাহ মেশিন বসাবে সরকার

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে

বুধবার (৮ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং অপচয় কমাতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। ‘বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণ’ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৫০০টি বায়ুপ্রবাহ মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন’ প্রকল্পের মাধ্যমে ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলায় ৯০০টি মডেল সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি সংরক্ষণাগারের ধারণক্ষমতা ১০ থেকে ১২ টন, যা কৃষকদের দীর্ঘ সময় ফসল সংরক্ষণে সহায়তা করছে।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, প্রযুক্তি সরবরাহের পাশাপাশি কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং উৎপাদকদের সঙ্গে বাজারের সরাসরি সংযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ১৯ হাজার কৃষকের মধ্যে বায়ুপ্রবাহ মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ‘বায়ুপ্রবাহ পদ্ধতিতে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন’ শীর্ষক নতুন একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রধান উৎপাদন এলাকায় আরও ৮ হাজার বায়ুপ্রবাহ মেশিন স্থাপন করা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক সংরক্ষণ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লে পেঁয়াজ ও রসুনের পচন ও অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। এতে কৃষকরা মৌসুম শেষে বা অফ-সিজনে পণ্য বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং দেশের কৃষি অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।

একই বিভাগের আরও খবর