জাতীয়

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে

মন্ত্রী আজ রাজধানীর ফার্মেগেটস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোঃ আবদুছ ছালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মাহমুদুর রহমান।


মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে শুধু কৃষকদের সচেতন করলেই হবে না; কীটনাশক আমদানি, নিবন্ধন, মান যাচাই এবং ল্যান্ডিং পয়েন্ট থেকেই কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনই আগামী দিনের কৃষির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরির অন্যতম শর্ত।

আরও পড়ুন


কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বিশ্বে খাদ্যের পরিমাণের চেয়ে নিরাপদ ও গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যের চাহিদা বেশি। বাংলাদেশের উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু পর্যাপ্ত সূর্যালোক ও বৃষ্টিপাতকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।


মন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ফসল সংগ্রহের অল্প সময় আগে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়, ফলে খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ থেকে যায়। এ পরিস্থিতিতে শুধু কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; বরং কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা উৎস থেকেই নিশ্চিত করতে হবে।


কৃষি পণ্যের সম্ভাবনা নিয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে আমিন উর রশিদ বলেন, বাংলাদেশে আম রপ্তানির জন্য আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকিং ব্যবস্থা চালু ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। একইভাবে কাঁঠাল, মাংসসহ অন্যান্য কৃষিপণ্যেরও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রপ্তানি বাড়াতে হলে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে আন্তর্জাতিক মান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, কৃষি গবেষক, বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দিয়ে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

একই বিভাগের আরও খবর