মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সাঁথিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
সাঁথিয়ায় প্রবীণ সাংবাদিককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ, এনসিপি ও জাসাস নেতার বিরুদ্ধে
ভুক্তভোগী আব্দুদ দাইন সরকার অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাব নির্বাচনে ভোট দিতে গেলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা এনসিপির সাঁথিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক বকুল হোসেন, তার ছোট ভাই উপজেলা জাসাসের সভাপতি মিজানুর রহমান ফুল এবং ঠান্ডুর নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান।
তার দাবি, হামলাকারীরা তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন এবং তার পরনের জামা-গেঞ্জি ছিঁড়ে ফেলেন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
আরও পড়ুন
অভিযুক্তদের মধ্যে বকুল হোসেন ও মিজানুর রহমান ফুল সাঁথিয়া উপজেলার পিপুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। অপর অভিযুক্ত ঠান্ডু খান মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে এনসিপির সাঁথিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক বকুল হোসেন বলেন, ৫ আগস্টের আগে সাঁথিয়া থিয়েটারের সভাপতি ছিলেন আব্দুদ দাইন সরকার। সে সময় তার বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল। ওই টাকা ফেরত চাওয়া এবং ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে মিজানুর রহমান ফুল ও তার লোকজনের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।
বকুল হোসেনের ভাষ্য, তিনি বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছেন, যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহও বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পাবনা প্রেসক্লাব। এক বিবৃতিতে প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার এবং সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।