কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে শিল্পগোষ্ঠীটির ব্যবসা-বাণিজ্য এবং ব্যাংকিং কার্যক্রমে বড় ধরনের সংকট দেখা দেয়। ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন না পাওয়ায় নতুন করে ঋণপত্র (এলসি) খুলে কাঁচামাল আমদানি করা সম্ভব হয়নি। ফলে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।
অর্থনীতি
তারল্য সংকটে চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
কারখানার ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ দায়িত্বে কর্মস্থল ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মানবসম্পদ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গত প্রায় দুই বছর ধরে ব্যাংকিং সংকটের মধ্যেও শ্রমিকদের নিয়মিত বেতন পরিশোধ করে উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে গ্রুপটির কোনো কার্যকর আর্থিক সক্ষমতা বা নগদ তারল্য অবশিষ্ট নেই। পাশাপাশি কাঁচামাল আমদানিও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এত বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা আর সম্ভব হচ্ছে না।
আরও পড়ুন
হঠাৎ কারখানা বন্ধ ও চাকরি হারানোর খবরে শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি ঘিরে এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে।