অর্থনীতি

দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, ব্যবসা সহজীকরণে নতুন উদ্যোগ

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা চট্টগ্রাম বন্দর ও ঢাকা বিমানবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালুর প্রস্তাব দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে দেশের সব বন্দরে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু নিশ্চিত করবে। এর ফলে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, কার্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক হবে।

আরও পড়ুন

মাহদী আমিন জানান, দীর্ঘ এ বৈঠকে শিল্প ও বাণিজ্য খাতের বিভিন্ন সমস্যা, বিনিয়োগের পরিবেশ, নীতিগত সংস্কার এবং বেসরকারি খাতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কীভাবে আরও বেশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনা যায় এবং বিদ্যমান জটিলতা দূর করা যায়, সে বিষয়েও মতবিনিময় হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা এ বিষয়ে নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন।

বেসরকারি খাতের বিকাশে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার এমন একটি ব্যবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিকাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে, যা উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

তিনি আরও বলেন, তরুণ ও নারীদের কর্মসংস্থান এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রো-বিজনেস ও প্রো-ইনভেস্টমেন্ট নীতিমালা বাস্তবায়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে মাহদী আমিন বলেন, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই নীতিকে সামনে রেখেই সরকার দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে বেসরকারি খাতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে।

তিনি জানান, বৈঠকে উত্থাপিত বিভিন্ন নীতিগত প্রস্তাবের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ হবে, বিনিয়োগ বাড়বে এবং দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

একই বিভাগের আরও খবর