বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো ত্যাগ, কোনো সংগ্রাম কোনোদিন বৃথা যায় না। ইতিহাস কখনও মিথ্যা হয় না। জুলাই গণঅভ্যুত্থান তারই উজ্জ্বল প্রমাণ।’
তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান। এ আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন
-
মহাপরিচালককে জড়িয়ে ‘বানোয়াট’ অডিও প্রচারের প্রতিবাদ বাংলাদেশ রেলওয়েরমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
পাহাড়ে কফি-কাজুবাদাম চাষ ও আধুনিক শিক্ষায় জোর সরকারেরমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
২৫ বোয়িংয়ের পর এবার ১০ এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্তমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, এই আন্দোলন দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে গণতন্ত্রের নামে একটি রাষ্ট্র তার সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে জনগণের ওপর নিপীড়ন ও দমন-পীড়ন চালাতে পারে।
তিনি জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাস সংরক্ষণ ও তুলে ধরার লক্ষ্যেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জাদুঘরটির কার্যক্রম শুরু হলেও পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এটিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, জাদুঘরটিকে গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যাতে নতুন প্রজন্ম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, মানুষের আকাঙ্ক্ষা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে পারে।
তিনি বলেন, ‘১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট—মাত্র ২০ দিনের আন্দোলনেই ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই ঐতিহাসিক পরিবর্তনেরই নাম।’