গত ২১ জুলাই মহেশখালী উপকূলে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) শিপ-টু-শিপ পদ্ধতিতে এলএনজি স্থানান্তরের সময় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর টার্মিনালটির কার্যক্রম প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ ছিল।
ঘটনার পর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছিলেন, টার্মিনালটি বিকল হয়ে যাওয়ার আগে সেখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার সময় একটি এলএনজি কার্গো টার্মিনালের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। সেটিকে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী তখন জানান, প্রাথমিকভাবে বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আরও কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। তিনি এটিকে এক্সিলারেট এনার্জি, সামিট এবং বাংলাদেশ সরকারের জন্য নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা বলেও উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন
-
২৫ বোয়িংয়ের পর এবার ১০ এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্তমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিল পাকিস্তানমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কিছু চ্যালেঞ্জ আছে: হুমায়ুন কবিরমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুর্ঘটনার কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং গৃহস্থালি পর্যায়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়। গ্যাসের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়।
দুই সপ্তাহ পর টার্মিনালটি পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পথে রয়েছে এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে চাপ ধীরে ধীরে কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।