সারাদেশ

শুধু দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা নয়, প্রকৃতি রক্ষা করেই পর্যটনের বিকাশ ঘটাতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি প্রকাশ: শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৭ আগস্ট) কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) ‘স্বপ্নচূড়া আবাসিক’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পর্যটন শুধু লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী কিংবা ইনানী সৈকতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পুরো ১২০ কিলোমিটার উপকূলজুড়ে বিভিন্ন ধরনের পর্যটন কার্যক্রম গড়ে তোলা হবে। বাণিজ্যিক লাভের চেয়ে কক্সবাজারকে বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এমনভাবে কক্সবাজারকে সাজানো হবে, যাতে এ জনপদকে নিয়ে সমগ্র বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে অতীতে কোনো সমন্বিত জরিপ করা হয়নি। জরিপ ছাড়াই কক্সবাজার, কুয়াকাটা ও সুনামগঞ্জসহ দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকাকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়েছিল। বিশেষ করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন এলাকায় ইসিএ ঘোষণা এবং আদালতের বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটন খাতের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। এ কারণে নতুন করে বৈজ্ঞানিক জরিপের মাধ্যমে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন হাব গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত হবে। পরে সরকারের অনুমোদন মিললে কক্সবাজারের উন্নয়নের পথে দীর্ঘদিনের বিভিন্ন নীতিগত ও প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতার সমাধান হবে।

তিনি বলেন, সমুদ্রসম্পদ, পর্যটন শিল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে কক্সবাজার ভবিষ্যতে জাতীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে। গভীর সমুদ্রে তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ অনুসন্ধান এবং আহরণের অনুমতি ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্লু ইকোনমি এবং মেরিন সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে কক্সবাজারকে মানুষ মূলত বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের জন্য চেনে। অথচ এখানকার আরও অনেক প্রাকৃতিক ও সামুদ্রিক সম্পদ এখনো অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে। এসব সম্পদ খুঁজে বের করে যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

একই বিভাগের আরও খবর

বিজ্ঞাপন