আজ তার কার্যালয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক ও সচিব মো. মোখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
অনিয়মিত অভিবাসন রোধে ব্রিটেনের সাথে কাজ করবে বাংলাদেশ
মন্ত্রী যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী ইংরেজি ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণে ব্রিটিশ সহায়তা চান। তিনি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং 'গ্রিন স্কিল' ও 'ডিজিটাল স্কিল' প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলেন। এছাড়া বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে 'রাইজ' প্রকল্পের ধারাবাহিকতা ও অভিবাসন-বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বাস্তবায়নে 'যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ' গঠনের ওপর জোর দেন তিনি।
আরও পড়ুন
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেন, ইউরোপের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে দেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সাথে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানের সংযোগ তৈরি করা যেতে পারে, যা তরুণদের বৈধ পথে অভিবাসনে উৎসাহিত করবে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে যৌথ কাজের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং নিরাপদ ও সাশ্রয়ী অভিবাসন নিশ্চিতে সহযোগিতা জোরদারের কথা জানান। তিনি গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন বাস্তবায়নে অংশীদারিত্বের কথাও উল্লেখ করেন।
অনিয়মিত অভিবাসন প্রসঙ্গে হাইকমিশনার জানান, যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান রয়েছে এবং বর্তমানে শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। সম্প্রতি আশ্রয় আবেদনকারীদের মধ্যে অল্পসংখ্যক আবেদন মঞ্জুর হয়েছে, বাকিদের ডিপোর্ট করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, আবেদন নামঞ্জুর হওয়া ব্যক্তি স্বেচ্ছায় ফিরলে পুনর্বাসনে ৩ হাজার পাউন্ড সহায়তা দেওয়া হয়, তবে ডিপোর্টে এ সুবিধা নেই।
সাক্ষাতে ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর রায়ান ডানকানসন ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।