বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৯ দফা দাবি পেশ করে হেফাজতে ইসলাম। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—মহান আল্লাহ, রাসুল (সা.), পবিত্র কোরআন ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন পাস, কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন না করা, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে গণহত্যায় জড়িতদের বিচার, ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার, কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমানের স্বীকৃতি প্রদান, শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা ও হিজবুত তাওহিদ নিষিদ্ধ করা, পার্বত্য চট্টগ্রামে মিশনারিদের অপতৎপরতা বন্ধ করা, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে আলেমদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম উলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে রাখাসহ ভারতের মাওলানা সাদের বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৯ দফা দাবি জানাল হেফাজতে ইসলাম
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর এবং হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমান।
হেফাজতের পক্ষ থেকে প্রদত্ত অভিনন্দনপত্রে প্রধানমন্ত্রীর ফটিকছড়ি সফরকে ‘দ্বীন ও রাষ্ট্রের মেলবন্ধনের এক অনন্য স্মারক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। এতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা সংযোজনের ভূমিকা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আলেম সমাজের প্রতি সহমর্মিতার কথাও স্মরণ করা হয়।