বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো: জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি; এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার। সভাপতিত্ব করেন পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো: সামীমুজ্জামান।
জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিল পর্যটন করপোরেশন
অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের হাতে প্রাইজবন্ড ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ‘জুলাইয়ের শহীদ ও আহতরা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়ের সাহসী অংশীদার। তাঁদের আত্মত্যাগ শুধু স্মরণ করলেই নয়, তাঁদের স্বপ্ন ধারণ করে একটি মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে।’ তিনি জানান, পর্যটন করপোরেশনের হোটেলে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ৩৬ শতাংশ ডিসকাউন্ট, বিমান বাংলাদেশের টিকিটে বিশেষ ছাড় এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
আরও পড়ুন
প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, তিনি নিজেও আন্দোলনে জড়িত ছিলেন এবং শেষ দিকে কারাবরণ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত ‘বিএনপি পরিবার’ সেলের অংশ ছিলেন বলে গর্ব প্রকাশ করেন। তিনি জুলাই যোদ্ধাদের জন্য পর্যটন স্পটে বিনামূল্যে প্রবেশ ও মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থায় চাকরির উদ্যোগের কথা জানান।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সাকি বলেন, জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেই উন্নয়ন পরিকল্পনা আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যস্ত, কৃতিত্ব নেওয়ার দৌড়ে নয়।
পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সামীমুজ্জামান বলেন, এই আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি কৃতজ্ঞতা ও জাতীয় চেতনার বহিঃপ্রকাশ।
অনুষ্ঠানে পাঁচ শহীদ পরিবার ও পাঁচ আহত যোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার ও সাংবাদিকরাও অংশ নেন।