সভায় নগর ব্যবস্থাপনা, যানচলাচলে শৃঙ্খলা, সড়ক নিরাপত্তা এবং বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা তাঁদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ সরকারের
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নীতিমালাটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যানচলাচলে শৃঙ্খলা ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন কার্যক্রমের ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের লক্ষ্যে প্রচলিত বিধিমালা সময়োপযোগী করে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
উল্লেখ্য, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ই-রিকশার নিবন্ধন ও চালকের লাইসেন্স প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করতে 'স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এ প্রয়োজনীয় ধারা ও তফসিল সংশোধন করা হয়েছে। এর আগে, গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে 'সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৫' জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ, যা ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
সভায় বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করেন।
এতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, উভয় সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।