মন্ত্রী বলেন, নদী দূষণমুক্ত করতে শিল্প মালিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারখানার দূষিত পানি খাল বা নদীতে না ফেলতে ইটিপি স্থাপন জরুরি। তিনি ব্যবসায়ীদের দেশের সম্পদ সৃষ্টিকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
বুড়িগঙ্গা-তুরাগ দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বুড়িগঙ্গাকে টেমস নদীতে রূপান্তর করা। সবাই মিলে কাজ করলে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ বা শীতলক্ষ্যাকে লন্ডনের টেমসের মতো গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি গাবতলী ও আশুলিয়ায় নদীর ওপর ঝুলন্ত ব্রিজ নির্মাণ ও পর্যটকদের জন্য জাহাজ পরিচালনার কথাও জানান।
আরও পড়ুন
সভায় নৌবাহিনী ‘বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা’ উপস্থাপন করে। এতে বুড়িগঙ্গায় ১৬৬টি ও তুরাগে ৫৮টি—মোট ২২৪টি বর্জ্য নিঃসরণ উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে। শিল্পবর্জ্যের উৎসভিত্তিক তালিকা, ইটিপি স্থাপন, অনুমোদনহীন ড্রেন বন্ধ ও বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে ইটিপি করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে ও ইটিপির কেমিক্যাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর চেষ্টা করা হবে। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর, শিল্প মালিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।