সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করতে বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভা প্রস্তাব অনুমোদন করলে তা আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পেতে পারেন। তবে পে স্কেল চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হলে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী হিসাব করে পরবর্তী সময়ে বকেয়া অর্থ সমন্বয় করা হতে পারে।
আরও পড়ুন
-
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চায়, সরকারও তা চায়: অর্থমন্ত্রীসোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
-
আমদানির গমের মান যাচাইয়ে শৈথিল্য নয়: খাদ্যমন্ত্রীরবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
-
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীরবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
এর আগে আগস্টের মধ্যে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য থাকলেও বেতন বৃদ্ধির হার, ভাতা এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনার কারণে সময়সীমা পিছিয়ে যায়।
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে আরও একটি বৈঠকের পর চূড়ান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, কমিটির কাজ শেষ হলেই প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় যাবে এবং চলতি বছরের মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে।
তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন পে স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং পরবর্তী ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা কার্যকর হতে পারে।
এদিকে পে কমিশনের সুপারিশের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কমানোর সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি। জুডিশিয়াল সার্ভিস ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয়ও চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব পাচ্ছে।