ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় মুসকানের জিম ট্রেনার ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। হামলার পর তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
মুসকানের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা বাসায় গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
-
ওমরাহ করে অনুভূতি জানালেন কেয়া পায়েল, নেতিবাচক মন্তব্যকারীদের কড়া বার্তাশনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
-
‘শরৎকালীন নাট্যোৎসব ২০২৬’, মঞ্চস্থ হবে তিনটি নাটকশুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
-
দুটো টাকার জন্য কত কী করতে হয়: কৌশানীবুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
মুসকানের বন্ধু আমান জানান, তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। ঘটনার সময় তার বড় বোন চণ্ডীগড়ে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি আমানকে দ্রুত মুসকানের বাসায় যেতে বলেন।
আমানের দাবি, মুসকানের বোনদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, ইমরান এর আগেও তাকে হয়রানি করেছিলেন। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ইমরানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে তদন্ত চলছে।