রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
সভায় ই-রিকশার চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ, নিবন্ধন, ফিটনেস পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন, গ্যারেজ ও চার্জিং ব্যবস্থাপনা, নগর যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা এ বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণকে কোনোভাবেই ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না।’ সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে নীতিমালা বাস্তবায়ন করা গেলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন চালু করা হলে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। একই সঙ্গে ফিটনেস, চার্জিং ও অন্যান্য কারিগরি বিষয় একটি সুসংগঠিত কাঠামোর আওতায় আনা সম্ভব হবে।
বিদ্যমান ই-রিকশাগুলোর ফিটনেস পরীক্ষা করে প্রত্যয়ন দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান মীর শাহে আলম।
তিনি জানান, ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিধিমালা প্রণয়ন ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এহসান এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান বিশেষজ্ঞ মতামত দেন।
এ ছাড়া সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।