বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নিষেধাজ্ঞার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে মুজাহিদ বলেন, ইসলামিক ব্যবস্থায় জনগণ বিক্ষোভের পরিবর্তে সরাসরি শাসকের কাছে গিয়ে নিজেদের দাবি ও অভিযোগ জানাতে পারেন।
আন্তর্জাতিক
আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, আইন পাস
তিনি আরও বলেন, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ হলে সাধারণ মানুষের সময় অপচয় হবে না এবং ব্যক্তিগত সম্পদও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।
তালেবানের এ সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। তাদের অভিযোগ, বিরোধীদের দমন করার অংশ হিসেবেই বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতা পুনর্দখলের পর তালেবান দেশটিকে ইসলামিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে। গত জুনে নারীদের অধিকার নিয়ে একটি বিক্ষোভে গুলিতে দুজন নিহত হওয়ার পর দেশটিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ আর দেখা যায়নি।