সোমবার ও মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে প্রেসিডেন্ট আদামা ব্যারোর পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি এলাকায় কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ।
লোডশেডিংয়ে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ায় সহিংস বিক্ষোভ
প্রেসিডেন্টের বাসভবন এবং দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয় পানি ও বিদ্যুৎ করপোরেশনের সদর দপ্তরের কাছেও বিক্ষোভ হয়েছে।
বিদ্যুৎ সংকটকে ‘জরুরি অবস্থা’ ও ‘জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট ব্যারো জানিয়েছেন, অক্টোবরের শেষ নাগাদ ২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন মেশিন স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজও শিগগির শুরু হবে।
আরও পড়ুন
গাম্বিয়ায় বর্তমানে গরমের মৌসুম চলছে। বিভিন্ন এলাকায় পালাক্রমে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কোথাও কোথাও টানা ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে জনদুর্ভোগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।
বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্যালো জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়াকে সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন।
আগামী ডিসেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে বিদ্যুৎ সংকট প্রেসিডেন্ট ব্যারোর সরকারের ওপর নতুন চাপ তৈরি করেছে। তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।
সূত্র: আলজাজিরা