স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় তদন্ত শেষে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান চাকরি থেকে বরখাস্ত
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, মো. আসাদুজ্জামান বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহীতে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৯ সেপ্টেম্বর কর্মস্থল ত্যাগ করার পর আর কর্মস্থলে যোগদান করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করেননি। পরে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন (Desertion)’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন
তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণের শাস্তি আরোপের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) পরামর্শের ভিত্তিতে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, একই ধরনের অভিযোগে আরও পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় কার্যক্রম শেষে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্তের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’সহ সরকারি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পর এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।