মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘কম্পিটেন্সি ফ্রেমওয়ার্ক অ্যান্ড ডিজিটাল কম্পিটেন্স অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক (ডিগক্যাফ)’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্মচারী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (জিইএমএস) ও জাইকা যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সব দপ্তরে ডিজিটালাইজেশন নিশ্চিত হলে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নাগরিকসেবা ডিজিটাল মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব হলে মানুষের সরকারি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন কমবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে ডিজিটাল ব্যবস্থার বিকল্প নেই। ভূমি ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ডিজিটাল করা গেলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সিভিল সার্ভিসে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন
জনপ্রশাসন সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল জ্ঞান ও দক্ষতার যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক প্রশাসন গড়ে তোলা সম্ভব। সেবার মান বাড়াতে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সেমিনারে আইসিটি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশিদ ভূঞা, জাইকা বাংলাদেশের মুখ্য প্রতিনিধি জুঙ্কু তাকাহাশি এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।