বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে টিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন আয়োজিত ‘হাই লেভেল ইভেন্ট অন বাংলাদেশ রিভার্স পলিউশন কন্ট্রোল, কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অব দ্য রিভার্স সারাউন্ডিং ক্যাপিটাল ঢাকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকার চারপাশের নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ
মন্ত্রী বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দূষণ ও দখলমুক্ত রাখা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। শিল্পবর্জ্য, পয়ঃবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য নদীতে ফেলা বন্ধে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণ কোনো একক মন্ত্রণালয় বা সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। পানি সম্পদ, পরিবেশ, নৌপরিবহন, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন, শিল্প ও রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি নদীতীরবর্তী জনগণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।
আরও পড়ুন
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে জলাবদ্ধতা, পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা ও জনদুর্ভোগ বাড়ে। তাই নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও জলাধার সংরক্ষণ, নদী-খালের সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিনিস্টার কাউন্সিলর ও হেড অব ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন মিখাল ক্রেইজা, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে শার্লে ও নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেলসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য দেন।