জাতীয়

সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘকে কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখতে চায় বাংলাদেশ

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

ভাষণের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতিকে অভিনন্দন জানান এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও তার সরকারের অগ্রাধিকারের কথাও তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে দীর্ঘদিন আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। সংকটের উৎস মিয়ানমারে উল্লেখ করে তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সমর্থন এবং প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সংঘাতের প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, যেকোনো বিরোধের সমাধান আলোচনা, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে হওয়া উচিত। তিনি নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতিও বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় পিসবিল্ডিং কমিশনে বাংলাদেশের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ গড়ে তুলতে জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। তাঁর ভাষণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সংকটের বিষয়ও উঠে আসে।

বিজ্ঞাপন

ভাষণে নিজের বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার স্মৃতিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

একই বিভাগের আরও খবর