জাতীয়

মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে ‘হাতি সংরক্ষণ: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, হাতি সংরক্ষণ শুধু প্রাণীর সংখ্যা রক্ষার বিষয় নয়; এর সঙ্গে আবাসস্থল, চলাচলের করিডোর, পরিবেশের ভারসাম্য এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকা জড়িত। আবাসস্থল সংকোচন, বন উজাড়, খাদ্যসংকট, সড়ক-রেলপথ নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈদ্যুতিক ফাঁদের কারণে মানব-হাতি সংঘাত বাড়ছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশে ১৪৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। সংঘাত কমাতে হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর রক্ষা, সংঘাতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, আগাম সতর্কতা ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। স্থানীয় জনগণকেও সংরক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে রাখা হবে।

আরও পড়ুন

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় হাতি শিকার ও পাচার ঠেকাতে বন অধিদপ্তর ও বিজিবির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি নতুন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনায় হাতির ঐতিহ্যগত চলাচলের পথ বিবেচনা করে নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা রাখার কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বন্দী হাতির লাইসেন্স, সংখ্যা ও অবস্থার সঠিক তথ্য সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন আবদুল আউয়াল মিন্টু। হাতির ওপর নির্যাতন ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের অভিযোগ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা এবং বন্দী হাতির চিকিৎসা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), আইইউসিএন বাংলাদেশসহ কয়েকটি সংগঠনের যৌথ আয়োজনে সভায় বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ আলী রেজা খানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

একই বিভাগের আরও খবর