শনিবার বিকেলে দিঘুলিয়া বাজারে আয়োজিত এই সম্মেলনে ভুক্তভোগী স্বজনরা দাবি করেন, নাফিউলের স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও ৬ মাস পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের আসামি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নাফিউলের চাচা নজরুল ইসলাম চাঁদ জানান, ২০২৪ সালের ৯ জুন নাফিউলকে তার নিজ ঘরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দাফনের সময় পরিবারের কোনো অভিযোগ ছিল না। তবে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরবর্তীতে নাফিউলের মা নাসিমা আক্তার আদালতে ৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন, যার ফলে স্বজনদের জেলও খাটতে হয়েছে। ভুক্তভোগীরা এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সঠিক তদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে মৃত্যুর আসল কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অপরাধ