রোববার বিকেলে রাজধানীর নন্দীপাড়া এলাকার জিরানী খাল পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব ও ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার খাল পুনরুদ্ধার ও সৌন্দর্যবর্ধনে কাজ করছে সরকার
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকার দক্ষিণ সিটির ২৬টি এবং উত্তর সিটির ২৯টি খালের দুই পাড়ে প্রয়োজন অনুযায়ী রিটেইনিং ওয়াল ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। এতে অবৈধ দখল রোধের পাশাপাশি নগরবাসীর চলাচল ও বিনোদনের সুযোগ বাড়বে।
তিনি বলেন, পয়ঃবর্জ্য শোধন করে নদীতে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধাপে ধাপে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে। নদী-খাল রক্ষায় নগরবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন
জিরানী খালসহ কালুনগর, মান্ডা ও শ্যামপুর খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা। ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ২১ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
প্রকল্পের আওতায় চার খালের প্রায় ২০ দশমিক ৫৯ কিলোমিটার পুনঃখনন, ৩২ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার রিটেইনিং ওয়াল, ৩৮ দশমিক ০৬ কিলোমিটার সুরক্ষা বেষ্টনী ও ৩২ দশমিক ৪৪ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, সবুজায়ন ও পরিবেশ দূষণ রোধে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।