মঙ্গলবার ঢাকায় মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে এ সাক্ষাতে দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা, প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক চূড়ান্তকরণ, ওষুধ এবং স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
জাতীয়
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
এ সময় সার্জিক্যাল সরঞ্জাম ও ওষুধের বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পাকিস্তানে ভ্যাকসিন ও ক্যান্সারের ওষুধ রপ্তানি আরও বাড়াতে পারে। পাশাপাশি পাকিস্তানি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের সুযোগ খোঁজার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাতে অঙ্গ প্রতিস্থাপন বিষয়ে সহযোগিতার বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন হাইকমিশনার। তিনি জানান, বাংলাদেশি চিকিৎসকদের লিভার প্রতিস্থাপনে প্রশিক্ষণ দিতে জিআইএমএস (GIMS) আগ্রহী।
আরও পড়ুন
এ ছাড়া বাংলাদেশে লিভার প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচারে সহায়তা এবং টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী চিকিৎসাসেবা দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।