অর্থনীতি

অক্টোবর-ডিসেম্বরে ট্রেজারি বিল-বন্ড থেকে ৩০ হাজার ১০৭ কোটি টাকা ধার নেবে সরকার

টিবিএস প্রকাশ: শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

এর আগে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সরকারের নিট ধার নেওয়ার পরিমাণ ছিল ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। এদিকে চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা কম হয়েছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কারণেও সরকারের ব্যয় বাড়ছে। তিন ধাপে নতুন বেতন কাঠামোর মূল বেতন কার্যকর এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে তিন বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১ লাখ ৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। চলতি বছরই অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে ৩৭ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা।

বিজ্ঞাপন

অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ বাড়লে বাজেটে সুদ ব্যয় বাড়তে পারে এবং রাজস্ব আদায়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে। বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন

সিপিডির ডিস্টিংগুইশড ফেলো ফাহমিদা খাতুন বলেন, সরকারের ব্যাংকনির্ভরতা বাড়া কোষাগারে তারল্য সংকটের ইঙ্গিত দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এভাবে ঋণ নেওয়া টেকসই পদ্ধতি নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম বলেন, পে স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হচ্ছে। এর অর্থায়নে ব্যাংক ঋণ বাড়লে সুদ ব্যয়ও বাড়বে, ফলে রাজস্ব আদায়ে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

একজন ব্যাংকারের মতে, বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় সরকারের ঋণ নেওয়ার তাৎক্ষণিক প্রভাব সীমিত। তবে ঋণের চাহিদা বাড়লে বেসরকারি খাতে এর প্রভাব পড়তে পারে।

একই বিভাগের আরও খবর