রাজধানী

একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন’

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

মৃদুল ইসলামের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসা, অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের অনুপস্থিতি ও অবহেলার কারণে তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। সন্তানকে হারানোর কথা বলতে গিয়ে তিনি বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন।

বিজ্ঞাপন

মৃদুল বলেন, ‘আমার বাচ্চা সুস্থ বাচ্চা, হেঁটে হেঁটে হাসপাতালে এসেছে। আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু লাগবে না।’ তিনি জানান, ছেলেকে স্কুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল এবং সব সময় তাকে সঙ্গে রাখতেন।

বিজ্ঞাপন

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর জ্বর ও পেটে ব্যথা নিয়ে আভানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডেঙ্গু সন্দেহে চিকিৎসা শুরু হলেও পরিবারের দাবি, একাধিক পরীক্ষায় ডেঙ্গুর ফল নেগেটিভ আসে। এরপরও ডেঙ্গু ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।

আরও পড়ুন

২ অক্টোবর শিশুটিকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না; টেলিফোনে দেওয়া নির্দেশনার ভিত্তিতে চিকিৎসা চলছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটির অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে জানালেও পরদিন বিকেল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

স্বজনদের আরও অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় আভানকে অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়ে ‘শক সিনড্রোম’ দেখা দেয়। চিকিৎসার কেস সামারিসহ প্রয়োজনীয় নথি পেতেও শুরুতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ পরিবারের।

বিজ্ঞাপন

পরিবারের দাবি, পরে সংগ্রহ করা মেডিক্যাল নথিতে রক্তে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও শক সিনড্রোমের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয় খতিয়ে দেখে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার। আভানের বাবা মৃদুল ইসলাম একজন গণমাধ্যমকর্মী। শিশুটির মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন স্বজনরা।

একই বিভাগের আরও খবর