সরকারি অন্যান্য চাকরিতে স্নাতক যোগ্যতায় নিয়োগ পাওয়া পদ সাধারণত দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা পেলেও প্রাথমিকের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে তা হয়নি। এ নিয়ে দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষকের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।
স্নাতক যোগ্যতা নিয়েও তৃতীয় শ্রেণির মর্যাদায় প্রাথমিকের শিক্ষকরা
বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষকতার মর্যাদা ও পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও বেতন নিয়ে দীর্ঘদিনের দাবি এখনো পূরণ হয়নি। সহকারী শিক্ষকরা ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করছেন।
১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, স্নাতক যোগ্যতায় সরকারি অন্য চাকরিতে ১০ম গ্রেড দেওয়া হলেও প্রাথমিকের শিক্ষকরা কেন তা পাবেন না, সেই প্রশ্নের জবাব রাষ্ট্রকে দিতে হবে। এ বৈষম্যের কারণে মেধাবীরা শিক্ষকতায় আগ্রহ হারাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন
এদিকে শিক্ষক প্রশিক্ষণেও ঘাটতি রয়েছে। ব্যানবেইসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০ দশমিক ৫২ শতাংশ শিক্ষক প্রশিক্ষণের বাইরে ছিলেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষকতার মর্যাদা বাড়াতে যোগ্যতা অনুযায়ী পদমর্যাদা ও বেতন নিশ্চিতের পাশাপাশি নিয়োগের আগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ‘মাধ্যমিক শিক্ষায় শিখন ত্বরান্বিতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯০ শিক্ষককে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই প্রশিক্ষণ ফাউন্ডেশন কোর্স নয়।