মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ফ্রান্সে যা ঘটছে তা ব্যাপক অভিবাসনের ফল। তাঁর দাবি, বিষয়টি স্কুল নিয়ে নয়; বরং ইসলাম ফ্রান্সকে দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
আন্তর্জাতিক
ফ্রান্সের গণবিক্ষোভের দায় ইসলামের ওপর চাপালেন ট্রাম্প
তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি অনুযায়ী, স্কুলের কর্মীসংকট, জরাজীর্ণ ভবন ও শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে গত সপ্তাহে আন্দোলন শুরু হয়। পরে তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
বিক্ষোভগুলো মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ হলেও কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন শিক্ষার্থীর হাত বিচ্ছিন্ন এবং আরেকজন দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন
ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশের ভূমিকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের মন্তব্যকে তাঁর অভিবাসনবিরোধী অবস্থান ও কঠোর বহিষ্কার নীতির পক্ষে জনমত তৈরির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।