বিএডিসির ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গ্রেড রিভিউ কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথা তুলে ধরা হয়েছে একটি লিখিত বক্তব্যে। এতে বলা হয়, সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে গ্রেড রিভিউ-সংক্রান্ত আদেশ জারি হয়। তবে আদেশটিতে কিছু ত্রুটি ও অসংগতি রয়েছে, যা সংশোধনের উদ্যোগ চলমান বলে বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএডিসিতে নতুন সংকট, জনবল ঘাটতি ও নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন
বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির আদেশ জারি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে কৃষি সচিবের হস্তক্ষেপে এসব আদেশ বাতিল হয়। বর্তমানে কিছু কর্মকর্তা রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানে অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এ ছাড়া একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দাপ্তরিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করে বদলি-বাণিজ্য ও তদবিরে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।
আরও পড়ুন
বিএডিসির জনবল সংকট নিরসনে দ্রুত নিয়োগ ও পদোন্নতির ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বক্তব্যে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানে সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আসন্ন বোরো ও রবি মৌসুমে কৃষকদের কাছে সময়মতো ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত বীজ, সার ও সেচসুবিধা পৌঁছে দিতে বিএডিসির প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।