রুহুল কবির রিজভী বলেন, সর্বজনীন শিক্ষা মানুষের জন্মগত অধিকার। ন্যূনতম শিক্ষা অর্জন করতে না পারলে মানুষকে বঞ্চনা ও প্রতারণার শিকার হতে হয়। তাই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে প্রতিটি নাগরিকের জন্য শিক্ষাগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি অভিযোগ করেন, একটি চক্র দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তবে আসন্ন দুর্গাপূজায় কোনো অপতৎপরতা সফল হতে দেওয়া হবে না। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে জন্য সরকার কঠোর নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদেরও প্রতিটি পূজামণ্ডপ কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে পাহারা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
রাজধানী
স্বাবলম্বী হতে ও জীবনকে অর্থবহ করতে শিক্ষার বিকল্প নেই: রিজভী
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক বলেন, এ দেশ সবার এবং ধর্ম যার যার হলেও রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা সবার জন্য সমান। দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রতিটি মণ্ডপে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি খন্দকার আবু হাসান সবুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুদ রানা এবং বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি তাহমিনা আদনান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, দোহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শামীম হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবুল কালাম এবং নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ প্রমুখ।