স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, বিচ্ছিন্ন উদ্যোগগুলো যেন আলাদা গণ্ডিতে আটকে না থাকে, সেজন্য সব সিস্টেমের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ (ইন্টারঅপারেবিলিটি) নিশ্চিত করতে এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০ কোটি নাগরিকের প্রেসক্রিপশন, ওষুধ কেনা ও ল্যাব টেস্টের মেডিকেল রেকর্ড সুরক্ষিত রেখে গবেষণার বিশাল সুযোগ তৈরি হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও তথ্যের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখেই এসব প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। এই হ্যাকাথনে অংশ নিতে এক মাসব্যাপী নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলবে এবং বাছাইকৃত দলগুলোকে নিয়ে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী বুটক্যাম্পের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মেন্টরশিপ দেওয়া হবে।
জাতীয়
স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তরে জাতীয় হ্যাকাথনের ডাক: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
অনুষ্ঠানে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, উন্মুক্ত এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণদের উদ্ভাবনী ভাবনাও সরকারের কাছে সরাসরি পৌঁছাবে। এছাড়া দেশের প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের স্বাস্থ্যসেবা বাজার ডিজিটালাইজড ও নির্ভরযোগ্য ডেটাবেসের আওতায় এলে বড় আকারের দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে। ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, বিশ্বব্যাংক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।