গত ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান। মরদেহ উদ্ধারের ৩১ দিনের মাথায় তদন্ত শেষ করে এ অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।
অপ্রতিম হত্যা মামলায় চার্জশিট, আসামি ৪ জন
অভিযুক্তরা হলেন সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন (১৯), মো. সিয়াম (১৯) এবং ১৫ ও ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোর। তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা), ২০১ (আলামত নষ্ট) ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত তুহিনসহ তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
নিহত অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দ্রুত বিচার শেষ করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযোগপত্রের বিস্তারিত হাতে পাওয়ার পর আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। অভিযুক্ত দুই কিশোরের বয়স নিয়েও তাঁদের প্রশ্ন রয়েছে।
আরও পড়ুন
গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা নগরের কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম। পরদিন সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে নির্জন পাহাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ফোন নিতে বাধা দিলে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে প্রধান অভিযুক্ত তুহিনের বাসা থেকে ফোনটি উদ্ধার করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তদন্তে অন্য আসামিদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।