আলোচনাটি উদ্বোধন করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। এতে মালয়েশিয়ার ৩১ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির প্রধান আলোচক ড. রশিদি সাইদ এবং বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রধান আলোচক খাদিজা নাজনীন। উদ্বোধনী অধিবেশনে আলোচনার রূপরেখা ও কার্যপরিধি নির্ধারণে দুই দেশের মধ্যে ‘টার্মস অব রেফারেন্স’ (টিওআর) স্বাক্ষরিত হয়।
জাতীয়
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু
বাণিজ্য সচিব জানান, গত জুনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকালে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে এ চুক্তির বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। চুক্তিটি সম্পন্ন হলে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি হালাল শিল্প, সেমিকন্ডাক্টর, ডিজিটাল বাণিজ্য, লজিস্টিকস এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।
মালয়েশিয়ার প্রধান আলোচক ড. রশিদি সাইদ জানান, প্রস্তাবিত এফটিএ কেবল শুল্ক হ্রাসের চুক্তি নয়, বরং সুষম অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার একটি কৌশলগত উদ্যোগ। ২০২৫ সালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ২ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার। প্রথম দফার এই আলোচনা চলবে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত।