খাদ্যমন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল যথাসময়ে দেশে পৌঁছেছে এবং এর মানও সন্তোষজনক ছিল। বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত থাকলেও গুণগত মান বজায় রেখে দীর্ঘ মেয়াদে তা সংরক্ষণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগালে বাংলাদেশ উপকৃত হবে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের বাজার বাড়াতে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে।
জাতীয়
খাদ্য সংরক্ষণে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান, সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর ফলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত সহজ হয়েছে। পাকিস্তানে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও আনারসের ব্যাপক চাহিদার কথা তুলে ধরে তিনি বাণিজ্য সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন। এ ছাড়া, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ অর্থায়নে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ উচ্চশিক্ষার সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খান এবং পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।