স্ট্যাটাসে সানায়ে তাকাইচি জানান, ‘গণতন্ত্র’ ও ‘আইনের শাসন’-এর মতো অভিন্ন মূল্যবোধের অংশীদার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশাসনের পথচলাকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন। নতুন সরকারের রাষ্ট্র গঠনের সকল প্রচেষ্টায় জাপান দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি)’ রূপকল্প বাস্তবায়ন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে ‘বিগ-বি’ উদ্যোগ নিয়ে দুই নেতার বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা ও বাংলাদেশকে ‘শান্তিপূর্ণ জাতি’ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্তকারী বিশাল বাজার হিসেবে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন সানায়ে তাকাইচি, যা জাপানের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দুই দেশের ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ ওপর ভিত্তি করে এদিন একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে আগামী দিনে বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ ও জাপান ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে স্ট্যাটাসে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।