অন্যান্য

ষড়যন্ত্র ও প্রচারণায় বাধার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন অভিযোগ করেছেন, পরাজয় নিশ্চিত জেনে একটি দল নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগ করছে। অন্যদিকে ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের দাবি, পরাজয় আঁচ করতে পেরে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দিয়ে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধের চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের আরাজি ডাঙ্গীপুকুর স্কুল মাঠে নির্বাচনী প্রচারণায় মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, তাঁদের কোনো নেতা-কর্মী কাউকে অপমান করেননি বা নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেননি। এলাকায় সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রয়েছে এবং সব প্রার্থী স্বাধীনভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

নিজের দলের নেতা-কর্মীদের দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়ে ফয়সল আমিন বলেন, তাঁরা কোনো প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা দেবেন না। কেউ বাধা দিলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করা হবে। প্রতিদ্বন্দ্বীদের জনগণের কাছে গিয়ে সমর্থন আদায়ের আহ্বানও জানান তিনি।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ভুল্লী উপজেলার শুখানপুকুরী ইউনিয়নের সেনপাড়ায় নির্বাচনী উঠান বৈঠকে দেলাওয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিপক্ষের সমর্থকেরা প্রচারণায় বাধা দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, প্রচারণায় বাধা যত বাড়বে, তত বেশি মানুষ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে মাঠে নামবেন।

বিজ্ঞাপন

দেলাওয়ার হোসেন বলেন, এবারের নির্বাচন মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। দাঁড়িপাল্লা নির্বাচিত হলে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। একই সঙ্গে আগামী ২৯ অক্টোবর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

উঠান বৈঠকে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, যারা জনগণের ভোটে বিশ্বাসী নয়, তারাই নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করছে। অনুষ্ঠানে শুখানপুকুরী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুস সামাদ, সেক্রেটারি আবুল কাশেম, ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক খলিলুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ৬২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৩ জন, নারী ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। ভোটগ্রহণের জন্য কেন্দ্র রয়েছে ১৮৫টি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়। এ নির্বাচন ঘিরে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে নির্বাচনী মাঠে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।

একই বিভাগের আরও খবর