শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের চা-শিল্প বর্তমানে উৎপাদনে সফল হলেও বৈচিত্র্যকরণ ও বিশ্ববাজারে ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠায় জোরালো অবস্থান তৈরি করতে পারেনি। যেখানে শ্রীলঙ্কা বা ভারতের মতো দেশগুলো নিজস্ব চায়ের ব্র্যান্ডিং ও ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি কাজে লাগিয়ে বিশ্ববাজারে উচ্চমূল্য নিশ্চিত করছে, সেখানে বাংলাদেশ এখনো প্রথাগত উৎপাদন ও অভ্যন্তরীণ বাজারের ওপর বেশি নির্ভরশীল। অথচ দেশে গত ১০ বছরে ৬২টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক স্বীকৃতি পেলেও ঐতিহ্যবাহী চায়ের এখনো জিআই স্বীকৃতি মেলেনি। এ ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনা নিলে এ খাতের চ্যালেঞ্জকে বিপুল সম্ভাবনায় খাতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
সারাদেশ
ব্র্যান্ডিং ও জিআই পণ্যের হাতছানি
সুপার এডমিন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
১ মিনিটে পড়া যাবে
বাংলাদেশ চা বোর্ড (বিটিবি) এবং বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিটিআরআই) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে চায়ের উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণ বাড়লেও (যেমন ২০২৩ সালে রেকর্ড ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি উৎপাদন) আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের রপ্তানি ও চায়ের কাঙ্ক্ষিত মূল্যপ্রাপ্তি এখনো সীমিত। এর মূল কারণ, আমরা মূলত সাধারণ মানের ‘সিটিসি’ চা উৎপাদনে আটকে আছি, যেখানে বিশ্ববাজারে এখন ‘অর্থোডক্স’ ও অর্গানিক চায়ের চাহিদা ও মূল্য অনেক বেশি।
আরও পড়ুন
-
সাঁথিয়ায় বিএনপি-জামায়াত মুখোমুখি, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তেজনাবুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
-
হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জ ছাড়ব না: সারজিস আলমমঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
-
স্ত্রীর আবদার মেটাতে মধ্যরাতে ঘুরতে বেরিয়ে বিপাকে দম্পতি, চোর সন্দেহে আটক, পরে আদালতে প্রেরণমঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
একই বিভাগের আরও খবর
-
সাঁথিয়ায় বিএনপি-জামায়াত মুখোমুখি, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তেজনাবুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
-
হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জ ছাড়ব না: সারজিস আলমমঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
-
স্ত্রীর আবদার মেটাতে মধ্যরাতে ঘুরতে বেরিয়ে বিপাকে দম্পতি, চোর সন্দেহে আটক, পরে আদালতে প্রেরণমঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
-
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকুমঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
-
পাবনায় ট্রান্সফরমার চোরচক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার চোরাই মালামালসোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬