তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা এবং শহীদ ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। পাশাপাশি ১১ দলীয় জোট ঘোষিত কর্মসূচিতেও সমর্থন ও অংশগ্রহণ করবে জামায়াত।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি
মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন ও আলোচনা সভার মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—২ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীতে জুলাইয়ের শহীদ, আহত ও পঙ্গু পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোতে স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন।
এ ছাড়া ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকার দুই মহানগরের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে শহীদ ও আহত পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
আরও পড়ুন
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ আগস্ট মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২ থেকে ৪ আগস্ট শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে পৃথক কর্মসূচি পালন করা হবে।
আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশের জেলা, মহানগর ও উপজেলায় ১১ দলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ও মিছিলে অংশ নেবে জামায়াত।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন মাওলানা এটিএম মা‘ছুম, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আব্দুল হালিম, অ্যাডভোকেট এহছানুল মাহবুব জুবায়ের, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং নূরুল ইসলাম বুলবুল।