মাজারের দরগাহ মসজিদের বারান্দায় আয়োজিত এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা নির্ধারণে গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গণনা শেষে দানবাক্সে পাওয়া মোট অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। পরে আগের মতোই পুরো অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হবে।
দ্বিতীয়বার প্রকাশ্যে খোলা হলো শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স
মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা তদারকি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, মাজারের মোতোয়াল্লি পরিবারের দুই সদস্য এবং মাজার মাদরাসা ও মসজিদের দুই প্রতিনিধি। কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক।
এর আগে গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের চারটি দানবাক্স এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা আরও চারটি দানবাক্সসহ মোট আটটি দানবাক্স খোলা হয়। সেদিন দানবাক্সগুলো থেকে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, সাত আনা স্বর্ণালঙ্কার এবং দুটি সৌদি রিয়াল পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন
পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টা